প্রত্যহ খান মাত্র ৫ টি খেজুর, মুক্তি পাবেন ১০টি শারীরিক সমস্যা থেকে

আমাদের ঘরে সাধারণত খেজুর জিনিসটি একটু কম আনা হয়। খোদ রমজান মাসই শুধু আমাদের কমবেশি খেজুর খাওয়া হয়। রোজা রাখার সাথে খেজুরের একটি সম্পর্ক রয়েছে বলে বছরের অন্যান্য সময়ে আমরা অনেকেই খেজুর খাই না, আমাদের মহানবী (স.) এর প্রিয় খাবারের তালিকায় খেজুর একটি এবং রমজান মাসে সেহরি ও ইফতারের সময় তিনি খেজুর অবশ্যই তার খাবারের তালিকায় রাখতেন। অসাধারণ পুষ্টিগুণে ভরপুর এই খেজুর আমাদের শারীরিক নানা ব্যাধি দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী। একেক শারীরিক সমস্যার জন্য একেক পরিমাণের খেজুর প্রতিদিন খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। আর তাই ১০ ধরণের শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে গড়ে প্রত্যেকের দিনে ৫ টি খেজুর খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত । জেনে নিন খেজুরের  উপকারী গুনঃ

 

১. খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস দেহের আয়রনের অভাব পূরণ করে এবং রক্তস্বল্পতা রোগের হাত থেকে রক্ষা করে। যাদের এই রক্তস্বল্পতার সমস্যা রয়েছে তাদের প্রতিদিন খেজুর খাওর অভ্যাস করা উচিত।

২. খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম এবং খুব অল্প পরিমাণে সোডিয়াম। এতে করে প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস দেহের খারাপ কলেস্টোরল কমায় এবং ভালো কলেস্টোরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। অর্থাৎ প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কমায়।

৩. খেজুর ল্যাক্সাটিভ ধরণের খাবার। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে তারা খুব সহজেই কোষ্ঠকাঠিন্যের হাত থেকে মুক্তি পেতে পারেন। প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাসের মাধ্যমেই এই সমস্যা সমাধান সম্ভব।

৪. একটি গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস মাত্র ৪ সপ্তাহের মধ্যে লিপিডের কোয়ালিটি উন্নত করতে সহায়তা করে দেহের সুগারের মাত্রা বাড়ানো ছাড়াই।

৫. হৃদপিণ্ডের সমস্যা দূর করতে প্রতিদিন খেজুর খাওয়া অত্যন্ত জরুরী। গবেষণায় দেখা যায় পুরোরাত খেজুর পানিতে ভিজিয়ে সকালে পিষে খাওয়ার অভ্যাস হার্টের রোগীর সুস্থতায় কাজ করে।

৬. খুব দুর্বল লাগছে অথবা দেহে এনার্জির অভাব হচ্ছে? তাহলে ঝটপট খেয়ে নিন্ন খেজুর। তাৎক্ষণিকভাবে দেহে এনার্জি সরবরাহের ক্ষেত্রে খেজুরের তুলনা নেই।

৭. গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস আমাদের দেহের ইন্টেস্টাইনের ভেতর স্বাস্থ্যের জন্য ভালো প্যাথলজিক্যাল অর্গানিজমের উৎপাদন বৃদ্ধি করে যা ইন্টেস্টাইনের নানা সমস্যা দূর করে।

৮. খেজুর দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে বিশেষভাবে সহায়ক। এবং প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস রাতকানা রোগ ভালো করতেও সাহায্য করে থাকে।

৯.  গবেষণায় দেখা যায় অ্যাবডোমিনাল ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করার ক্ষমতা রয়েছে খেজুরের।

১০. খেজুরের মধ্যে রয়েছে স্যলুবল এবং ইনস্যলুবল ফাইবার ও বিভিন্ন ধরণের অ্যামিনো অ্যাসিড যা সহজে খাবার হজমে সহায়তা করে। এতে করে খাবার হজম সংক্রান্ত সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

 

নিম পাতার অনন্য ব্যবহার

 

নিম হচ্ছে এক প্রকার ঔষধি গাছ যার ডাল, পাতা, রস, সবই কাজে লাগে। নিম একটি বহু বর্ষজীবি ও চির হরিত বৃক্ষ। আকৃতিতে ৪০-৫০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। এর কান্ড ২০-৩০ ইঞ্চি ব্যাস হতে পারে। ডালের চারদিকে ১০-১২ ইঞ্চি যৌগিক পত্র জন্মে।

বহুদিন আগে থেকেই নিমগাছের পাতা, তেল ও কাণ্ডসহ নানা অংশ চিকিৎসাকাজে ব্যবহৃত হয়। নানা রোগের উপশমের অদ্ভুত ক্ষমতা রয়েছে এ গাছের। এ লেখায় থাকছে তেমনই কিছু ব্যবহার।

১. এ উপমহাদেশের প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতিতে বিভিন্ন চর্মরোগের চিকিৎসায় ও চুলের সমস্যা দূর করতে ব্যবহৃত হয় নিম। নিমপাতার রয়েছে ফাংগাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী ভূমিকা। অনেকেই এটি খুশকি প্রতিরোধে ব্যবহার করে সাফল্য পেয়েছে।

২. ত্বকের শুষ্কতা দূর, চুল শক্ত করতে ও চুলের বৃদ্ধির জন্য নিম কার্যকর। প্রাচীনকাল থেকেই চুল ও মাথার ত্বকের খুশকি দূর করতে ব্যবহৃত হয় নিম।

৩. ত্বকের বিভিন্ন ধরনের চুলকানি দূর করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে নিম।

৪. আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাপদ্ধতিতে ত্বকের নানা সমস্যায় ও ত্বকের বিষ দূর করতে নিম ব্যবহৃত হয়।

৫. ত্বকের মেচতা সমস্যার জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে নিম।

৬. ত্বকের প্রসাধনী হিসেবে নিমের তেল ও নিমপাতার নির্যাস কার্যকর। নিম তেল শুষ্ক ত্বক ও এ-সংক্রান্ত চুলকানি ও র‌্যাশ দূর করে।

৭. ক্ষত সারাতে নিমপাতার নির্যাস কার্যকর। এটি সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।

৮. ত্বকের ফুসকুড়ি ও ঘামাচির মতো সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে নিম।

৯. একজিমা ও ত্বকের ক্ষুদ্র সংক্রমণ প্রতিরোধে নিম কার্যকর।

১০. আলসার প্রতিরোধে এবং তা নিরাময়ে নিমপাতার রস খুবই কার্যকর।

১১. এতে উচ্চমাত্রার অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা দেহের পরিবেশগত ক্ষতি ও বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে।

১২. নিম তেলে রয়েছে ফ্যাটি এসিড ও ভিটামিন ই, যা ত্বককে তরুণ রাখতে ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সহায়তা করে। এ তেল ত্বক সহজেই গ্রহণ করতে পারে।

১৩. ত্বক পরিষ্কারের জন্য নিমপাতা ব্যবহার করে মাস্ক তৈরি করা যায়।

১৪. নিমগাছের কাণ্ড থেকে তৈরি দাঁতন দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে দাঁতের বহু সমস্যা দূর হয়।

 

Foot Massage

Foot Massage:

There are many techniques and manipulations in a foot massage but we will focus on the simple practices that can be inculcated in our daily routine. Homemade ghee (clarified butter), Cow’s ghee, sesame oil, mustard oil, olive oil, coconut oil or any other relaxation oil can be used for the massage. For daily use Cow’s ghee is considered to be the best.

Instructions:

– Simply use few drops of the selected oil/ghee and rub it on your feet.
– Use the smooth surface of a small metallic bowl to rub it gently on your feet. Classical texts indicate “bell metal” as the best choice for the same.
– Rub it gently in both directions for 2-10 minutes on both feet. After this relaxing routine simply wash your feet with warm water.
– It can be done anytime of the day. Works best when done just before sleeping at night.

Benefits of this massage:

-Alleviates anxiety
-Induces state of relaxation
-Brings sound sleep
-Releases stress and tension
-Improves blood circulation
-Rejuvenates the whole body
-Improves digestion
-Eradicates pain
-Improves Eye sight
-Restores youth and vitality
-Develops Vigor
-Nourishes hair follicles

Listed above are just few of the benefits. It is also helpful in treating many ailments. Various therapeutic oils and techniques are used for a massage depending on the complaints. So if you have any ailments consult your Ayurveda specialist and if you don’t have any ailment start practicing this technique to avail the above benefits and stay away from any diseases.

Iron deficiency anaemia

Introduction

Iron deficiency anaemia is a condition where a lack of iron in the body leads to a reduction in the number of red blood cells.

Iron is used to produce red blood cells, which help store and carry oxygen in the blood. If you have fewer red blood cells than is normal, your organs and tissues will not get as much oxygen as they usually would.

There are several different types of anaemia and each one has a different cause, although iron deficiency anaemia is the most common type.

Other forms of anaemia can be caused by a lack of vitamin B12 or folate in the body. Read more about vitamin B12 and folate deficiency anaemia.

Symptoms of iron deficiency anaemia

The main symptoms of iron deficiency anaemia include:

If you have any of these symptoms, speak to your GP, as they can diagnose iron deficiency anaemia through a simple blood test.

Read more about the symptoms of iron deficiency anaemia anddiagnosing iron deficiency anaemia.

What causes iron deficiency anaemia?

There are many things that can lead to a lack of iron in the body.

In men and post-menopausal women, the most common cause is bleeding in the stomach and intestines. This can be caused by takingnon-steroidal anti-inflammatory drugs (NSAIDs), a stomach ulcer,stomach cancer or bowel cancer.

In women of reproductive age, the most common causes of iron deficiency anaemia are heavy periods and pregnancy (as your body needs extra iron for your baby).

Unless you’re pregnant, it’s rare for iron deficiency anaemia to be caused just by a lack of iron in your diet. However, if you do lack dietary iron, it may mean you’re more likely to develop anaemia than if you have one of the problems mentioned above.

Read more about the causes of iron deficiency anaemia.

How iron deficiency anaemia is treated

Treatment for iron deficiency anaemia involves taking iron supplements to boost the low levels of iron in your body. This is usually effective and the condition rarely causes long-term problems.

You will need to be monitored every few months to check the treatment is working and that your iron levels have returned to normal.

The underlying cause will also need to be treated so that you don’t get anaemia again. You may also be advised to increase the amount of iron in your diet.

Good sources of iron include:

  • dark-green leafy vegetables, such as watercress and curly kale
  • iron-fortified cereals or bread
  • brown rice
  • pulses and beans
  • nuts and seeds
  • meat, fish and tofu
  • eggs
  • dried fruit, such as dried apricots, prunes and raisins

Read more about treating iron deficiency anaemia.

Further problems

If iron deficiency anaemia is left untreated, it can make you more susceptible to illness and infection, as a lack of iron in the body affects your immune system (the body’s natural defence system).

Severe iron deficiency anaemia may increase your risk of developing complications that affect the heart or lungs, such as tachycardia (an abnormally fast heartbeat) or heart failure (when your heart is not pumping blood around your body very well).

Pregnant women with severe or untreated anaemia also have a higher risk of complications before and after birth.

Healing Powers of Honey Water

Healing Powers of Honey Water
Digestion: It normalizes digestion process and cleanses the digestive tract of parasites and prevents their breeding. It also cleanses the intestines of toxin deposits. Honey also helps neutralize gas.

Acidity: The antiseptic benefits of honey will also help to relieve the acidity in your stomach while increasing production of intestinal mucus. It also works to hydrate the colon, and infuse excess water into your stools.

Immune System: It strengthens the immune system, treats clods, is great against bronchitis and it cleanses mucus in the lungs.

Weight Loss: Honey water can help you lose weight! When the cells in your body do not get enough fluid, they send a message to your brain to being retaining fluids. The more water you use, the more water weight that will come off. When drinking for weight loss it is best to drink it before and during a meal, this will make you feel fuller faster. It is also important to drink it first thing in the morning on an empty stomach for an energy boost, and it helps to speed up your metabolism.

Allergies: It reduces the susceptibility to environmental allergies. Always go for raw organic honey which is full of enzymes, vitamins, and minerals that help to protect the body against bacteria.

Sore Throat: According to studies done at the Mayo Clinic, hot water with honey can help soothe a sore throat and cut down the duration.

Detox: It is also a natural detox; it helps to flush the toxins out of your body. To get additional benefits add lemon to the mix, lemon helps to increase urination.

Making the honey water
Put one teaspoon of honey in a glass of fresh lukewarm water and mix. You will get a 30% honey mixture which has identical composition as blood plasma. Honey creates a cluster compound in the water which increases this mixture’s health benefits. Honey-water is easily absorbed by our system.

Green Tea: Side Effects And Who Must Not Consume It

Green tea is one of the oldest herbal teas known to man. It gained quick prominence in the west after its purported health benefits, the most popular of them- as an effective tool for weight loss. Some of these health benefits have many studies backing them while some do not. Due to the positive spotlight, green tea has enjoyed, some of its side effects are often overlooked. But it’s important to understand that Green Tea also has some limitations and a few of them are highlighted below.

Green tea is mostly safe for adults when consumed in moderation. Green tea extract is also considered to be generally safe for most people when taken orally or while being applied topically on the skin for a short period of time. However, drinking too much green tea, more than 5 cups a day is considered to be unsafe. The side effects occur due to the caffeine present in the tea, which may include some or all of these symptoms:

.Mild to serious headaches
.Nervousness
.Sleep problems
.Vomiting
.Diarrhoea
.Irritability
.Irregular heartbeat
.Tremor
.Heartburn
.Dizziness
.Ringing in the ears
.Convulsions
.Confusion

 

Who Must Not Consume Green Tea?

Green Tea has been found to cause certain problems when taken excessively or cause problems to some people who suffer with certain ailments:

1. Stomach Problems: The tannins present in the green tea increase the stomach acid which may cause stomach ache, nauseous feeling, or cause constipation. Thus, green tea is not consumed on an empty stomach in Japan and China. It is best to drink green tea after a meal or in-between meals. People with peptic ulcers or acid reflux should not consume green tea excessively. A 1984 study concluded that tea is a potent stimulant of gastric acid, which can be reduced by adding milk and sugar.

2. Iron Deficiency: Green tea seems to reduce the absorption of iron from food. Drinking very high doses can actually be fatal. The fatal dose of caffeine in green tea is estimated to be 10-14 grams (150-200 mg per kilogram). Green tea can also reduce the bioavailability of non-heme iron. A 2001 study reports that green tea extract reduces the absorption of non-heme iron by 25%. Non-heme iron is the primary type of iron in eggs, dairy and plant foods such as beans, so drinking green tea with these foods may lead to reduced iron absorption. However, Vitamin C increases non-heme iron absorption, so you can squeeze lemon into your tea or consume other vitamin-C rich foods, such as broccoli, with your meal. In addition, drinking tea between meals seems to have little effect on iron absorption, according to the National Cancer Institute.

3. Caffeine Caution: Like all teas, green tea contains caffeine and excessive caffeine intake can lead to nervousness, anxiety, abnormal heart rhythm and shakiness. Some people have a natural low tolerance for caffeine, and they will suffer these symptoms even when ingesting small amounts. High caffeine consumption can also hinder calcium absorption, affecting your bone health and increasing the risk of osteoporosis. To help prevent caffeine-related problems, limit green tea intake to 5 or fewer cups per day

4. Pregnancy and Breast-Feeding: Green tea contains caffeine, catechins and tannic acids. All three substances have been linked to pregnancy risks. If you are pregnant or breast-feeding, green tea in small amounts, about 2 cups per day safe. This amount of green tea provides about 200 mg of caffeine. However, drinking more than 2 cups of green tea per day is unsafe and has been linked to an increased risk of miscarriage and other negative effects. Also, caffeine passes into breast milk and can affect a nursing infant. In addition, drinking a large amount may cause neural tube birth defect in babies.

5. Anaemia: Green tea catechins can cause a decrease in the absorption of iron from food. If you have iron-deficiency like anaemia, the National Cancer Institute recommends consuming tea between meals. If you like to drink green tea with your meal, then studies show you should eat foods that enhance iron absorption. Foods high in iron include meats such as red meat and foods high in Vitamin C, such as lemons.

6. Anxiety Disorders: The caffeine in green tea might is said to make anxiety worse.

7. Bleeding Disorders: Caffeine in green tea might increase the risk of bleeding.

8. Heart Conditions: Caffeine in green tea might cause irregular heartbeat.

9. Diabetes: Caffeine in green tea might affect blood sugar control. If you drink green tea and have diabetes, monitor your blood sugar carefully.

10. Diarrhea and IBS: The caffeine in green tea, especially when taken in large amounts, can worsen diarrhea and symptoms of IBS.

11. Glaucoma: Drinking green tea increases pressure inside the eye. The increase occurs within 30 minutes and lasts for at least 90 minutes.

12. High Blood Pressure: The caffeine in green tea might increase blood pressure in people with high blood pressure. However, this does not seem to occur in people who regularly drink green tea or other products that contain caffeine.

13. Should not be given to Children: The tannins in green tea may block nutrients absorption such as protein and fats in children. It may also lead to over stimulation because of the caffeine present in the green tea.

14. Liver Disease: Green tea extract supplements have been linked to several cases of liver damage. Green tea extracts might make liver disease worse. Severe liver disease, as the level of caffeine in the blood may build up and last longer.

15. Osteoporosis: Drinking green tea can increase the amount of calcium that is flushed out in the urine. Caffeine should be limited to less than 300 mg per day (approximately 2-3 cups of green tea). It is possible to make up for some calcium loss caused by caffeine by taking calcium supplements.

Can People On Medication Drink Green Tea?

Green tea must not be taken along with these medications as it is known to cause negative reactions.

1. Highly Interactive: Stimulant drugs like Amphetamines, Nicotine, Cocaine and Ephedrine.
2. Moderately Interactive: Adenosine, Quinolone antibiotics, Birth control pills, Cimetidine (Tagamet), Clozapine (Clozaril), Dipyridamole (Persantine), Disulfiram (Antabuse), Estrogens pills, Fluvoxamine (Luvox), Lithium, Medications for depression (MAOIs), Hepatotoxic drugs, Medications that slow blood clotting (Anticoagulant / Antiplatelet drugs), Pentobarbital (Nembutal), Phenylpropanolamin, Riluzole (Rilutek),Theophylline, Verapamil and Warfarin.
3. Slightly Interactive: Alcohol, Fluconazole, Anti-diabetes drugs, Mexiletine (Mexitil) and Terbinafine.
For a more detailed description, read the article here.

How to Consume Green Tea?

The United Kingdom Tea Council recommends drinking not more than 6 cups of tea a day. For the best health benefits, 3 to 4 cups is recommended. However, doses of green tea vary significantly, but usually range between 1-5 cups daily is considered safe. The commonly used dose of green tea is based on the amount typically consumed in Asian countries, which is about 3 cups per day, providing 240-320 mg of the active ingredients, polyphenols. To make tea, people typically use 1 tsp of tea leaves in 8 ounces of boiling water.

Drink green tea when it’s freshly made but slightly cooled. Scalding tea can damage your digestive system. Moreover, recent studies suggest that too much hot tea can promote throat cancer. Compounds in tea like catechins, theanine, and vitamins C and B diminish over time through oxidation, so the health benefits are strongest with fresh tea. If you’re brewing the same tea leaves, brew them in moderation. With each successive infusion, cancerous substances in the leaves themselves (often pesticides) are drawn out and can even be toxic. Old tea can also harbour bacteria, especially since its antibacterial properties diminish with time.

Tea Dosage For Ailments

.Headache: Tea providing up to 250 mg of caffeine per day, or approximately 3 cups of tea per day.
.Improved thinking: Tea providing 60 mg of caffeine, or approximately one cup.
.Reducing cholesterol: Drinking 10 or more cups per day has been associated with decreased cholesterol levels. Theaflavin-enriched green tea extract, 375 mg daily for 12 weeks, has also been used for lowering cholesterol.
.Preventing Parkinson’s disease: Men consuming 421-2716 mg total caffeine (approximately 5-33 cups of green tea) daily have the lowest risk of developing Parkinson’s disease. However, a significantly lower risk is also associated with consumption of as little as 124-208 mg of caffeine (approximately 1-3 cups of green tea) daily. In women, more moderate caffeine consumption seems to be best, equivalent to approximately 1-4 cups of green tea per day.

Topical Application Dosage

.Human papillomavirus (HPV) infections of the cervix: Green tea ointment alone or in combination with oral green tea extract, twice weekly for 8-12 weeks.
.Genital warts: a specific green tea extract ointment (Veregen, Bradley Pharmaceuticals) providing 15% kunecatechins applied three times daily to external warts for up to 16 weeks has been used.

Conclusion

You don’t have to quit drinking your favourite cuppa green tea, but if you have any of the above mentioned medical conditions or taking prescription drugs, exercise caution and consult your doctor about how many cups you can have per day. Moderation is key to enjoy the full benefits of green tea.

 

দুধ চা, নাকি রঙ চা?

স্বাস্থ্যের দিকে তাকিয়ে অনেকেই রঙ চা খান, অনেকেই আবার দুধ চা। তবে বেশির ভাগ মানুষই জানেন না, তার আসলে কোন ধরণের চা খাওয়া উচিত। আড্ডা কিংবা বাসায় সাধারণত তাৎক্ষণিক ইচ্ছার উপরই নির্ভর করে কোন ধরণের চা খাবেন। জার্মানির বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ১৬ জন নারীকে একবার রঙ চা, আরেকবার দুধ চা এবং একবার শুধু গরম পানি পান করতে দেন। তারপর প্রতিবারই আল্ট্রাসাউন্ড পদ্ধতিতে তাদের রক্তনালীর প্রসারণ মাপা হয়। দেখা যায় যে, রঙ চা রক্তনালীর প্রসারণ ঘটায় যা উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগ নিয়ন্ত্রনের জন্য অত্যন্ত জরুরী। চায়ের মধ্যে থাকা ক্যাটেচিন রক্তনালীর প্রসারণের জন্য দায়ী। দুধের মধ্যে থাকে ক্যাসেইন নামক একটি পদার্থ যা চায়ের মধ্যে থাকা ক্যাটেচিনকে বাধাগ্রস্ত করে। ফলে চায়ে দুধ মেশালে চায়ের রক্তনালী প্রসারণের ক্ষমতা একবারেই চলে যায়। US Department of Agriculture এর গবেষকরা ইদুরের কোষের ওপর পরীক্ষা করে দেখেন যে, চায়ের প্রভাবে কোষগুলো থেকে সাধারণের তুলনায় ১৫ গুণ বেশি ইনসুলিন নির্গত হয় যা ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত জরুরী। কিন্তু চায়ে দুধ মেশালে এই ইনসুলিন নির্গমনের হার কমতে থাকে। যদি ৫০ গ্রাম দুধ মেশানো হয়ে, তাহলে ইনসুলিন এর নির্গমন শতকরা ৯০% কমে যায়। যারা ওজন নিয়ন্ত্রন করতে চান তারা দেখে নিতে পারেন কোন চায়ে কত ক্যালরি। দুধ চিনি ছাড়া রঙ চা = ২ ক্যালরি ১ চামচ চিনিসহ রঙ চা = ১৬ ক্যালরি ১ চামচ চিনি ও দুধসহ চা = ২৬ ক্যালরি সুতরাং রঙ চা উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও ওজন নিয়ন্ত্রনে অত্যন্ত কার্যকরী। দুধ চা নয়। – See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/36620#sthash.Zynu6Ks2.dpuf

রসুন সারায় এমন ১০টি অসুখ যা আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না!

রসুন এক দারুণ পেনিসিলিন জাতীয় মসলা। আমরা নিত্যদিন বিভিন্ন তরকারীতে মসলা হিসেবে ব্যবহার করে থাকি এই মসলাটি। কিন্তু আমরা হয়তো অনেকেই জানি না এর গুণাগুণের মাত্রা কতখানি। আপনি অবাক হয়ে যাবেন যদি জানেন যে এই রসুন মানুষের দেহে এমন কোনো রোগ বালাই নেই যার প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে না।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অব হেলথ ওয়েবসাইট ‘মেডলাইন প্লাস’ জানিয়েছে, বিশ্বের অসংখ্য মানুষ কোলন, রেক্টাল, পাকস্থলী, ব্রেস্ট, প্রোস্টেট, মূত্রথলি ও ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধে রসুন ব্যবহার করে থাকেন।

মিনারেলস সমৃদ্ধ মসলা রসুন। এর পরিমাণ এত বেশি যে কারো কারো কাছে এটি মিনারেলসের মিনি স্টোর হিসেবে পরিচিত। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফসফরাস, অ্যালুমিনিয়াম, ক্যালসিয়াম, রিবোফ্লাভিন, কপার, ম্যাঙ্গানিজ, ক্লোরিন, সেলেনিয়াম, জিংক ও ভিটামিন ‘সি’।

এটি চমৎকার অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টি-ফাংগাল, অ্যান্টি-ভাইরাল হিসেবে কাজ করে, যা আমাদের বিভিন্ন রোগবালাই থেকে দূরে রাখে।

১. প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক :

রসুনে থাকা ভিটামিন ‘সি’র কথা বিশেষভাবে বলতে হয়। কেননা এই ভিটামিন স্কার্ভি রোগের প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। একই সঙ্গে তা রক্তনালি নমনীয় রাখে।

২. রক্ত চলাচলে সহায়তা :

রসুনে ‘অ্যাজোইন’ নামক এক রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে। এ পদার্থ রক্ত চলাচলে সহায়তা করে। পাশাপাশি রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে। একই সঙ্গে রক্তের কোলেস্টরল কমাতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

৩. হরমোন নিঃসরণ :

রসুনে থাকা সালফার আমাদের শরীরের নানা হরমোন নিঃসরণ করতে সহায়তা করে।

৪. হৃদরোগজনিত সমস্যা :

হৃদজনিত বিভিন্ন সমস্যায় ভীষণ কার্যকর এ ভেষজ। ডাক্তারি পরীক্ষায় প্রমাণিত, এটি উচ্চ রক্তচাপও কমিয়ে দেয়।

৫. রোগজীবাণু ধ্বংস :

রসুনে থাকা ‘অ্যালিসিন’ পদার্থ ক্ষত সারাতে ভূমিকা রাখে। তাছাড়া পদার্থটি যক্ষা, আমাশয়, টাইফয়েড প্রভৃতির রোগজীবাণু ধ্বংস করে।

৬. ঠান্ডা কমায় :

ঠান্ডা লাগা, গলা বসে যাওয়া কিংবা গলাব্যথা, মাথাব্যথা, গেঁটে বাত, হাঁপানি, ব্রংকাইটিসের সমস্যায় রসুন চিবিয়ে খেলে এ ধরণের সমস্যাগুলো একেবারেই থাকে না।

৭. ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে :

ডায়াবেটিকদের জন্য উপকারী মসলা এই রসুন। এটি ব্লাড সুগার কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৮. হজমের সমস্যা দূর করে :

লিভারের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং হজমের সমস্যা দূর করে এ ঔষধি। অ্যালার্জি সারিয়ে তুলতে এর ভূমিকা সুবিদিত।

৯. ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণে আনে :

অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন ফুড পয়জনিং নিবারণ করে এ মসলা।

১০. পুরুষের সুস্থ স্পার্ম তৈরি :

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রতি মিলিলিটার শুক্রাণুতে ২০ মিলিয়নের কম স্পার্ম থাকলে যেকোনো পুরুষ অনুর্বর হতে পারেন। বাজে খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, অ্যালকোহল, অনিয়ন্ত্রিত জীবন, ব্যায়ামে অনীহা প্রভৃতি কারণে দিন দিন অনুর্বরতা বাড়ছে। এক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক মসলা রসুন। কেননা সুস্থ স্পার্ম তৈরিতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার।

Aloe Vera: What Are Its Health Benefits?

Considered by some as a panacea and present in many of our everyday products, aloe vera is however not a new plant species and its cosmetic use as a therapeutic has also been quite popular.

In Ayurvedic medicine, the juice of aloe vera has been used for 3,000 years to treat burns. It was used by Sumerians to relieve nausea and irritation of the stomach. Aloe is a succulent plant, which is capable of storing water in its cells during periods of drought. Therefore it is found in warm regions, even desert, and it is very sensitive to cold and moisture.

Health Benefits of Aloe Vera

There are over 250 species of aloe, but among them, only 3 or 4 have properties proven to cure. The most interesting of them all is the Aloe Barbadensis Miller, or Aloe Vera. A real panacea, Aloe Vera also works well in local use on the skin, as orally for its therapeutic properties.

Side beauty

Externally, be sure to choose and advise cosmetics containing the native gel or the pulp of aloe and not of the pulp of aloe spray (the quality and effectiveness is not guaranteed).

Skin

The aloe vera gel is suitable for all skin types. Very nutritious, smoothing and softening, he embellishes, softens and improves elasticity. Moisturizer, it is sovereign for thirsty skin: he gets inside 3-4 times faster than water and 7 times deeper. Illuminator, it revitalizes dull skin.

When can you use Aloe Vera on your skin?

For the care of the day and night of dehydrated skin
– In case of frostbite, crevasses
– To restore tone and elasticity to tired skin
– To reduce wrinkles and fine lines
– To restore radiance to the complexion
– To soothe irritated skin, sensitive
– In soothing care after shaving or waxing
– If acne through its properties anti-inflammatory
– After a burn or sunburn

Digestive System

Internally, aloe vera is involved to balance and improve digestive tract. It soothes and regenerates inflamed intestinal mucosa. It’s also a good regenerating liver cells.

Cardiovascular System

Thanks to its choline, aloe vera participates in the regulation of the rate of cholesterol . It reduces blood pressure by oxygenation and blood fluidity. It decreases platelet aggregation and dilates blood vessels. It is also hemostatic.

Musculoskeletal System

It protects and revitalizes cartilage and tendons with acemannan. Analgesic and anti-inflammatory, it relieves joint and rheumatic pain, sprains, strains.

Over-all Body

Aloe vera has anti-allergic. Antiseptic, fungicidal and bactericidal, it protects the body in case of aggression. It stimulates, supports and regulates the immune system.

In Which Products Will You Find Aloe Vera?

Aloe vera can be presented in numerous forms: in drinks, juices or gels, pure or combined with other plants or fruit. In cosmetic treatments, you will find it in day creams or night, cleansing gels or contractors, lotions, moisturizing Body Care, shampoos, masks, liquid soaps, deodorants, cream aftershave, lip balms, sun protection, first aid creams or gels, among others. You will also find it in daily use products like detergents, toothpastes and mouthwashes, sprays for veterinary use and more.

Beyond the cosmetic and therapeutic uses, lastly note that Aloe Vera is also an ornamental plant, very easy to find and maintain. It is said to also have depolluting virtues, but these effects are quite controversial and need to be more fully demonstrated.

Why You Should Never Drink Ice Water

What Happens When You Drink Cold Water

– When you drink cold beverages your blood vessels shrink, your digestion becomes restricted and hydration is hindered.

– Instead of working to digest the food and absorb the nutrients to create energy, your body is expending energy to regulate your temperature. This can lead to water loss.

– Drinking cold water after a meal creates excess mucus in your body, which can lead to a decrease in immune system function, making it easier to catch colds and illnesses.

– If you eat food while drinking cold beverages or immediately after, the water temperature solidifies fats from the foods we’ve just eaten and the body in turn finds it hard to digest the unwanted fats from our bodies.

Some people say that drinking ice water is beneficial because it burns more calories. I argue that we do not want to make our digestive system have to work harder; we want to makes things as easy on it as we can. There are many other ways to burn calories!

Benefits to Drinking Warm Water

Here are some benefits to drinking water that is room temperature or warmer:

– Faster + increased hydration
– Natural digestive enzymes are stimulated and therefore your digestion is enhanced
– Food breaks down more easily
– Your bowels move better (warm water with lemon in the morning is great for this!)
– It purifies your blood and increases your bodies natural detoxification processes via your skin, kidneys and lymphatic system

Once you get into the habit of drinking water at room temperature or warm, you will notice a dramatic improvement in your digestion and the way your body feels while eating and after the meal. Some people have also reported reduction in sugar cravings.

So, the next time you eat out ask your server to “Hold the Ice!