কোন প্রকার ব্যায়াম কিংবা ডায়েট বাদে দেহের মেদ ঝরাতে প্রতিদিন ঘুমাতে যাবার আগে এই মিশ্রনটি খান

খাওয়া কমিয়েছেন, রোজ ব্যায়ামও করছেন। তবু ভুঁড়ি কমাতে পারছেন না? তলপেটে চেপে বসা থলথলে চর্বির বোঝা কী করে কমাবেন, তা নিয়ে ভেবে অস্থির? চিন্তা নেই। আমরা দিলাম সহজ টিপস। নিয়মিত মেনে চললেই কাজ হবে ম্যাজিকের মতো।

আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যে পরিমাণ রাসায়নিক থাকে, তা আমাদের শরীর খারাপ করার পক্ষে যথেষ্ট। পাশাপাশি রয়েছে বর্তমানের সেডেন্টারি লাইফস্টাইল। দুইয়ে মিলে কমে যায় শরীরের মেটাবলিজম রেট। ফলস্বরূপ দেখা দেয় শরীরের অবাঞ্ছিত মেদ। বাড়ে টক্সিন সঞ্চয়।

এ সবের থেকে মুক্তি দিতে পারে শুধুমাত্র একটা পানীয়। রোজ রাতে শোওয়ার আগে এই পানীয় নিয়ম করে খেলে মেদ কমবেই কমবে। নিয়ন্ত্রণে থাকবে হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস, ভালো থাকবে হৃদযন্ত্রও।

উপাদানঃ দারুচিনি 1 টেবিল চামচ, আপেল সিডার ভিনেগার এক টেবিল চামচ, লেবুর রস এবং পানি…।।

 

চুলের যত্নজেনে নিন কিভাবে আলু দিয়ে সাদা চুলকে কালো করবেন?

এ সমস্যার সমাধান করতে পারে খুবই সাধারণ একটি প্রাকৃতিক উপাদান, আর তা হলো আলু! কীভাবে আলুর সাহায্যে সাদা চুল কালো করে ফেলবেন, তার বিস্তারিত মেটা গার্লি ওয়েবসাইটের এই পরামর্শ একবার দেখে নিতে পারেন।

যেভাবে তৈরি করবেন

প্রথমে পাঁচটি আলুর খোসা ছাড়িয়ে নিন। এবার একটি প্যানে দুই গ্লাস পানি নিন। এখন এতে আলুর খোসা দিয়ে গরম করুন। পানি ফুটতে শুরু করলে পাঁচ মিনিট রান্না করুন। এবার চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করুন। এর পর একটি বাটিতে এই মিশ্রণ ছেঁকে আলুর খোসা ফেলে দিন। আপনি চাইলে এর মধ্যে দুই-এক ফোঁটা রোজমেরি অথবা ল্যাভেন্ডার অয়েল দিতে পারেন।

যেভাবে ব্যবহার করবেন

প্রথমে চুল ভালো করে ধুয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণ দিয়ে মাথায় হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন। আধা ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, কয়েক দিন ব্যবহারেই আপনার সাদা চুল কালো হয়ে যাবে।

জেনে রাখুন মাইক্রোওয়েভ ওভেন ব্যবহারের ৭টি স্বাস্থ্য ঝুঁকি

মাইক্রোওয়েভ ওভেনের সাথে আমরা পরিচিত হলেও মাইক্রোওয়েভ কী তা আমরা অনেকেই জানি না।মাইক্রোওয়েভ হচ্ছে এক প্রকার চৌম্বক তাড়িত বিকিরণ বা রেডিয়েশন এটার বৈদ্যুতিক ও চৌম্বকীয় তরঙ্গ মাইক্রোওয়েভ ওভেনের ভেতরে চলাচল করে।

মাইক্রোওয়েভ ওভেন আমাদের আধুনিক জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এটি ছাড়া আমরা রান্নার অনেক কিছুই তৈরি করতে পারিনা। খাবার গরম করা থেকে শুরু করে রান্না করা, কেক বানানো পর্যন্ত এটা আমাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় একটি জিনিস হয়ে উঠেছে। কিন্তু তারপরও আমরা মাইক্রোওয়েভ ওভেনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে পারিনা। অনেকেরই হয়তো জানা নেই এর ব্যবহারে অনেক স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে। এটা খাবার পুষ্টিগুনকে নষ্ট করে দেয় এবং এর উচ্চ তাপমাত্রা খাবারকে ক্যান্সার তৈরি করার বস্তুতে পরিনত করে।

তাই এখানে মাইক্রোওয়েভ ওভেনে রান্না করার কিছু ক্ষতিকর দিক তুলে ধরছি-

খাদ্যের ভিটামিন নষ্ট করে-

যেসব খাবারে ভিটামিন বি১২ আছে যেমন মাছ,কলিজা ইত্যাদি যখন মাইক্রোওয়েভ অভেনে রান্না করা হয় তখন তা নষ্ট করে ফেলে।এছাড়া খাদ্যের ভিটামিন সি ও উচ্চ তাপে নষ্ট হয়ে যায়। মাইক্রোওয়েভ ওভেনের উচ্চতাপে ভিটামিন নষ্ট হয়ে ভিটামিন শূন্য একটি খাবার আমাদের হাতে আসে। এটা মাইক্রোওয়েভ ওভেনের একটি বেশ বড় খারাপ দিক।

বুকের দুধের পুষ্টিমূল্য নষ্ট করে-

যখন বুকের দুধ মাইক্রোওয়েভ ওভেনে গরম করা হয় তখন এটি সমস্ত পুষ্টিমূল্য হারায় এবং এতে থাকা ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধক বা এন্টিবডিগুলো মরে যায়।

খাদ্যের সামগ্রিক পুষ্টি বিনাশ-

মাইক্রোওয়েভ ওভেনের উচ্চ তাপ বিকিরনের ফলে খাদ্যের সব ধরনের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। এটা খাবারের প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ নষ্ট করে দেয়।

খাদ্যে ক্যান্সার সৃষ্টিকারক উপাদান তৈরি করে-

যখন মাইক্রোওয়েভ ওভেনে প্লাস্টিকের বাটিতে খাবার গরম ও রান্না করা হয় তখন সেই প্লাস্টিক বাটি থেকে বিষাক্ত ক্যান্সার সৃষ্টিকারক উপাদান ছড়িয়ে খাবারে প্রবেশ করে।

রক্তের উপাদানের মাত্রায় পরিবর্তন-

মাইক্রোওয়েভ ওভেনের উচ্চ তাপে গরম করা দুধ ও সবজি রক্তের লোহিত কণিকার(RBC)মাত্রা কমায় এবং শ্বেত কণিকার(WBC) মাত্রা বাড়ায়। এছাড়া কোলেস্টেরলের মাত্রাও বৃদ্ধি করে।

হৃদস্পন্দনের পরিবর্তন- মাইক্রোওয়েভ ওভেন থেকে রেডিয়েশন নির্গত হয়। যাদের অনিয়মিত হৃদস্পদন ও বুকের ব্যাথা রয়েছে তাদের মাইক্রোওয়েভ ওভেনে তৈরি খাবার খাওয়া উচিত নয়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায়-

মাইক্রোওয়েভ অভেনে তৈরি করা পুষ্টিবিহীন ও এন্টিঅক্সিডেন্ট বিহীন খাবার নিয়মিত ভাবে খাওয়ার ফলে তা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উপর প্রভাব ফেলে।

তাই মাইক্রোওয়েভ অভেন ব্যবহার না করাই উত্তম তবে যদি ব্যবহার করতেই হয় তবে কম তাপমাত্রা ব্যবহার করা উচিত। কোন ধরনের যান্ত্রিক ত্রুটিযুক্ত ও ব্যবহৃত ওভেন ব্যবহার করা কোনোভাবেই উচিত নয়। –

প্রতিদিন কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস সমাধান করবে ৮ টি শারীরিক সমস্যা

কিশমিশ আমরা সাধারণত রান্নার কাজেই বেশি ব্যবহার করে থাকি। এমনিতে খাওয়া হয় অনেক কম। অনেকের ধারণা শুধু কিশমিশ খেলে দাঁতের ক্ষতি হয় অনেক। কিন্তু এটি ভুল ধারণা। কিশমিশ খাওয়া আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরী। নানা ধরণের শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে প্রতিদিন কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস। তবে ডায়বেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে কিশমিশ থেকে দূরে থাকাই ভালো।

১) মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়
কিশমিশে রয়েছে বোরন যা মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। বোরন মনোযোগ বৃদ্ধিতে বিশেষ ভাবে কার্যকরী একটি উপাদান। মাত্র ১০০ গ্রাম কিশমিশ থেকে প্রায় ২.২ মিলিগ্রাম বোরন পাওয়া সম্ভব।

২) উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে
কিশমিশের পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত সোডিয়াম রক্ত থেকে দূর করে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা প্রতিরোধ করে।

৩) কিশমিশ কলেস্টোরলের সমস্যা কমায়
কিশমিশে খারাপ কলেস্টোরল রয়েছে ০%। এছাড়া কিশমিশের স্যলুবল ফাইবার খারাপ কলেস্টোরল দূর করে কলেস্টোরলের সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে। ১ কাপ কিশমিশ থেকে প্রায় ৪ গ্রাম পরিমাণে স্যলুবল ফাইবার পাওয়া যায়।

৪) চোখের সুরক্ষা করে
প্রতিদিন কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস বার্ধক্যজনিত চোখের সমস্যা সমাধান করে। কিশমিশের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পলিফেলন ম্যাকুলার ডিগ্রেডেশন প্রতিরোধ করে চোখের সুরক্ষায় কাজ করে।

৫) অ্যাসিডিটির সমস্যা সমাধান করে
কিশমিশের ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম আমাদের পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড যা অ্যাসিডিটির সমস্যা তৈরি করে তা দূর করতে সহায়তা করে।

৬) কলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার কলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধে সবচাইতে বেশি কার্যকরী। মাত্র ১ টেবিল চামচ কিশমিশ আপনাকে প্রায় ১ গ্রাম পরিমাণ ফাইবার দিতে পারে। এছাড়াও কিশমিশের টারটারিক অ্যাসিড হজম সমস্যা দূর করে পরিপাকতন্ত্রের সুরক্ষা করে।

৭) রক্তস্বল্পতার সমস্যা দূর করে
আমরা সকলেই জানি দেহে আয়রনের অভাবের কারণে রক্তস্বল্পতার সমস্যা শুরু হয়। কিশমিশে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। ১ কাপ কিশমিশে রয়েছে প্রায় ৬ মিলিগ্রাম আয়রন যা আমাদের দেহের প্রায় ১৭% আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতে সক্ষম।

৮) দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষা করে
অনেকে ভাবতে পারেন কিশমিশে চিনি রয়েছে যা দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু চিনির পাশাপাশি কিশমিশে রয়েছে ওলিনোলিক অ্যাসিড যা মুখের ভেতরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাঁধা দেয় এবং ক্যাভিটি প্রতিরোধে কাজ করে।

সকালে খালি পেটে পানি খাওয়ার উপকারীতা কি?

জল চিকিৎসা নামে একটি চিকিৎসা পদ্ধতি জাপনী মেডিকেল সোটাইটি খুঁজে বের করেছে যা শতভাগ সুস্থতা প্রদানে সক্ষম বলে দাবি করেন তারা।

সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে চার গ্লাস পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

তাহলে পানি পান করা কি আসলেই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো? আর যদি ভাল হয়, তাহলে কেন ভাল? কীভাবে উপকার পাওয়া যায় সকালে পানি পানে? আর কি পরিমাণই বা পানি পান করতে হবে?

চিকিৎসকদের মতে, সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। ভারতে প্রাচীন যোগগুরু বা ঋষিরা তাদের সাধনায় তারা খালি পেটে পানি পানকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হিসেবে স্থান দিয়ে আসছেন। জাপানেও চিকিৎসা পদ্ধতি খালি পেটে পানি পান করা। একটু নিয়ম মেনে পানি পান করলে শরীরের জন্য আরও ভালো হবে।

প্রথম দিকে এটা অনেক বেশি মনে হলেও কিছুদিন এভাবে পানি পান করলে বিষয়টি সহজেই আয়ত্ত হয়ে যায় এবং উপকারও টের পাওয়া যায়। পানি খাওয়ার অল্প কিছুক্ষণ আর অন্য কিছু মুখে না দেওয়াই ভালো। এ উপায়ের কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং এটি পরিপাক ক্রিয়ার জন্য খুবই উপকারী। গবেষকেরা বলেছেন, সকালে খালি পেটে পানি কেবল পাকস্থলী পরিষ্কারই নয়, শরীরের বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি থেকেও বাঁচাতে সাহায্য করে।

# খালি পেটে পানি পানের সুফল
প্রথমত, এই অভ্যাস মলাশয়কে ঠিকঠাক ও সচল রাখতে সাহায্য করে। পরিপাক ক্রিয়া থেকে সঠিকভাবে নানা পুষ্টি উপাদান গ্রহণে শরীরকে সাহায্য করে। ভাল হজমশক্তি আপনা থেকেই অনেক স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানে আসে।

দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত পানি ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর রাখে। রক্ত থেকে টক্সিন ও বিভিন্ন বিষাক্ত উপাদান দূর করতে পানি সাহায্য করে। এ ছাড়াও নতুন রক্তকোষ এবং মাসল সেল জন্মানোর প্রক্রিয়াতেও সাহায্য করে পানি । ওজন কমিয়ে রাখতেও পর্যপ্ত পরিমাণে পানি পান খুবই উপকারী ।

# কি পদ্ধতিতে পানি পান করবেন
১. ঘুম থেকে উঠেই ১৬০ মিলি লিটারের গ্লাসের ৪ গ্লাস পানি পান করবেন।

২. পানি পানের ৪৫ মিনিটের মধ্যে কোনও খাবার খাবেন না।

৩. ৪৫ মিনিট পর নাস্তা করবেন এবং পানি পান করবেন।

৪. নাস্তা করার ১৫ মিনিট পর, দুপুরে এবং রাতের খাবারের ২ ঘন্টার ভিতরে কোনও খাবার বা পানি পান করবেননা।

৫. যারা বয়ষ্ক বা অসুস্থ এবং ৪ গ্লাস পানি পান করতে অক্ষম প্রথম দিকে অল্প অল্প করে পানি পানের অভ্যাস করবেন। এরপর ধীরে ধীরে পরিমাণ বাড়াতে চেষ্টা করবেন।

৬. উপরের চিকিৎসা পদ্ধতিটি উল্লেখিত রোগ বা অসুখসমূহের নিরাময় করবে এবং যাদের এসব নেই তারাও সুস্থ জীবনযাপন করতে পারবেন।

# রোগ বা অসুখ ভেদে এবং কতদিন পানি পান করবেন

১. উচ্চ রক্তচাপ (৩০ দিন)
২. বুক জ্বালাপোড়া (১০ দিন)
৩. ডায়াবেটিস (৩০ দিন)
৪. কোষ্ঠকাঠিন্য (১০ দিন)
৫. ক্যান্সার (১৮০ দিন)
৬. যক্ষা (৯০ দিন)
৭. বাত ব্যথার রোগিরা উপরে চিকিৎসাটি প্রথম সপ্তাহে ৩ দিন, এবং দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে প্রতিদিন চালিয়ে যাবেন।

এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই, তবে প্রস্রাবের পরিমাণ পূর্বের তুলনায় বেড়ে যেতে পারে। এটি দৈনন্দিন জীবনের সাথে যোগ করলে অন্যান্য রোগ থেকেও সুস্থ থাকা যাবে। পানি পান করুন, সুস্থ ও কর্মঠ থাকুন।

নিয়মিত পানি পান প্রাত্যহিক জীবনযাপনের অংশ করে নিন,। এতে আগের থেকে নিজের শরীরকে লাগবে অনেক ফুরফুরে। চীনারা খাবারের সঙ্গে কিন্তু ঠাণ্ডা পানির বদলে গরম চা পান করে। খাওয়ার পরপরই ঠাণ্ডা পানি তৈলাক্ত খাদ্যকে কঠিন করে তোলে। পরিপাক ক্রিয়াকেও করে ধীরগতি করে তোলে।

খাওয়ার পর তাই স্যুপ বা হালকা গরম পানি পান করা অপেক্ষাকৃত নিরাপদ। তাই সুস্থ থাকতে নিয়মিত খালি পেটে পানি পানের চর্চা চালিয়ে যেতে থাকুন। আর ফলাফল নিজেই অনুভব করতে পারবেন।

১ টি মাত্র সবজি দূর করবে ক্যান্সার, ডায়বেটিস ও অন্যান্য অনেক শারীরিক সমস্যা!

বিটার মেলন যার বাংলা নাম করল্লা এমন একটি সবজি যা দূর করতে পারে কান্সা, ডায়বেটিস এবং অন্যান্য অনেক মারাত্মক সব শারীরিক সমস্যা। যদিও এর তেতো স্বাদের কারণে কারো মুখে রোচে না, কিন্তু শুধুমাত্র স্বাদের কথা ভেবে স্বাস্থ্যের কথা একেবারে ভুলে বসলেও চলে না।
দ্য নেভাডা সেন্টার অফ আল্টারনেটিভ অ্যান্ড অ্যান্টি এইজিং মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ, ডঃ ফ্রাংক শ্যালেনবার্গার এম.ডি দেখতে পান এই করল্লার রয়েছে ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধির প্রতিরোধ ক্ষমতা। এবং তিনি তার রোগীদের এই প্রাকৃতিক ক্যান্সার নিরাময়ের সবজিটি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি প্রতিরোধের জন্য। তিনি তার নতুন গবেষণায় দেখতে পান করল্লার রস পানিতে মাত্র ৫% মিশ্রিত হয় যা প্রমাণ করে এটি অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে। করল্লার প্রায় ৯০%- ৯৮% পর্যন্ত ক্যান্সারের কোষ ধ্বংসের ক্ষমতা রয়েছে। দ্য ইউনিভার্সিটি অফ কলোরাডোর একটি গবেষণায় দেখা যায় করল্লা অগ্ন্যাশয়ের টিউমার প্রায় ৬৪% কমিয়ে আনতে সক্ষম।
এছাড়াও ডঃ শ্যালেনবার্গার তার গবেষণায় দেখতে পান, উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা, অ্যাজমা, ত্বকের ইনফেকশন, ডায়বেটিস এবং পাকস্থলীর নানা সমস্যা প্রতিরোধ করতে পারে শুধুমাত্র এই একটি সবজি ‘করল্লা’। খুব কম ক্যালরি সমৃদ্ধ করল্লায় রয়েছে পটাশিয়াম, বেটাক্যারোটিন, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাংগানিজ, হাই ডায়াটেরি ফাইবার, ভিটামিন বি১, বি২, বি৩ ও সি, ফোলায়েট, জিংক এবং ফসফরাস।
করল্লা দূর করে আরও ৭ টি শারীরিক সমস্যা

১) পরীক্ষিত ভাবে প্রমাণিত যে করল্লা স্ট্যামিনা ও এনার্জি লেভেল বাড়ায়।
২) গর্ভধারণের প্রাথমিক সময়ে নারীরা করল্লা নিয়মিত খেলে শিশুদের নিউট্রাল টিউব ডিফেক্ট হতে রক্ষা করে।
৩) করল্লার নানা পুষ্টি উপাদান রক্তের সুগারের মাত্রা কমায় এবং টাইপ-২ ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।
৪) করল্লার রস নিয়মিত পান করার ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং নানা ধরণের ইনফেকশনের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
৫) হজমে সমস্যা এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতেও করল্লার জুড়ি নেই।
৬) করল্লার রস লিভার পরিস্কারে সহায়ক এবং লিভারকে টক্সিনমুক্ত রাখতে সহায়তা করে। এছাড়াও এটি রক্ত সঞ্চালনের মাত্রা উন্নত করে।
৭) নিয়মিত করল্লার রস পানের অভ্যাস সোরাইসিসের অবস্থা উন্নত করে এবং ফাঙ্গাস জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়।
যেভাবে খেতে পারেন করল্লা

বাজার থেকে ভালো করল্লা কেনার পর ঠাণ্ডা পানিতে ভালো করে ধুয়ে নরম ব্রাশ দিয়ে আলতো ঘষে পরিষ্কার করে নিন।
১) যে কোনো আমিষ খাবারের সাথে বা অন্যান্য সবজির সাথে ভাজি করে খেতে পারেন।
২) করল্লার শুকনো গুঁড়ো তৈরি করে রেখে আইসড ও দুধ চায়ে মিশিয়েও পান করতে পারেন।
৩) আচার তৈরি করে খেতে পারেন।
৪) শুধু করল্লার রস দিয়ে জুস তৈরি করে পান করতে পারেন।

প্রতিদিন ১টি কাঁচা মরিচের ১৩টি স্বাস্থ্য উপকারিতা

Health-benefits-of-Chili

যাদের ভাতের সাথে একটি কাঁচা মরিচ না খেলে চলেই না তাদের জন্য সুখবর হচ্ছে কাঁচা মরিচ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। মরিচকে ঝাল বানায় এর বিশেষ উপাদান ক্যাপসাইকিন। কাঁচা মরিচ সাধারণত কাঁচা, রান্না কিংবা বিভিন্ন ভাজিতে দিয়ে খাওয়া হয়। এতে আছে ভিটামিন এ, সি, বি-৬, আয়রন, পটাশিয়াম এবং খুবই সামান্য পরিমাণে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট।

ঝাল স্বাদের সব্জিগুলোতে থাকে বিটা ক্যারোটিন ও আলফা ক্যারোটিন, বিটা ক্রিপ্টোক্সানথিন ও লুটেইন জিয়াক্সানথিন ইত্যাদি উপাদান। এই উপাদান গুলো মুখে লালা আনে ফলে খেতে মজা লাগে। এছাড়াও এগুলো ত্বক ও স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। দেখে নিন কাঁচা মরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো।

কাঁচা মরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতা:

• গরম কালে কাঁচা মরিচ খেলে ঘামের মাধ্যমে শরীর ঠান্ডা থাকে।

• প্রতিদিন একটি করে কাঁচা মরিচ খেলে রক্ত জমাট বাধার ঝুঁকি কমে যায়।

• নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে হৃদপিণ্ডের বিভিন্ন সমস্যা কমে যায়।

• কাঁচা মরিচ মেটাবলিসম বাড়িয়ে ক্যালোরি পোড়াতে সহায়তা করে।

• কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিটা ক্যারোটিন আছে যা কার্ডোভাস্ক্যুলার সিস্টেম কে কর্মক্ষম রাখে।

• নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

• কাঁচা মরিচ রক্তের কোলেস্টেরল কমায়।

• কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন এ যা হাড়, দাঁত ও মিউকাস মেমব্রেনকে ভালো রাখতে সহায়তা করে।

• কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে যা মাড়ি ও চুলের সুরক্ষা করে।

• নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে নার্ভের বিভিন্ন সমস্যা কমে।

• প্রতিদিন খাবার তালিকায় অন্তত একটি করে কাঁচা মরিচ রাখলে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না।

• কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন সি। তাই যে কোনো ধরণের কাটা-ছেড়া কিংবা ঘা শুকানোর জন্য কাঁচা মরিচ খুবই উপকারী।

• কাঁচা মরিচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি শরীরকে জ্বর, সর্দি, কাশি ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে।

শসার অসাধারণ পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জেনে রাখুন

সারা বছর পাওয়া গেলেও বাজারে এখন মিলছে স্বাদে ভরা তরতাজা শসা। লবণ মরিচের গুঁড়া দিয়ে খাওয়া বা সালাদে শসার তুলনা হয় না। অতিথি আপ্যায়নে বা নিজেদের আয়েসি খাবার আয়োজনে শসার সালাদ থাকা চাই-ই। খাবারের রুচি বাড়ানো আর খাবারের অতিরিক্ত তেলচর্বির ধাক্কা সামলাতে শসার তুলনা হয় না। শসার এতোটুকু উপকারের কথা আমরা সবাই মোটামুটি জানি।

কিন্তু প্রতি ১০০ গ্রাম শসাতে পাবেন ১৫ কিলো ক্যালরি, কার্বোহাইড্রেটস ৩.৬৩ গ্রাম, প্রোটিন ০.৬৫ গ্রাম, খাদআঁশ ০.৫ গ্রাম, ফোলেট ৭ মাইক্রোগ্রাম, নিয়াসিন ০.০৯৮ মিলিগ্রাম, থায়ামিন ০.০২৭ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ ১০৫ আইইউ, ভিটামিন সি ২.৮ মিলিগ্রাম,

ভিটামিন ই ০.০৩ মিলিগ্রাম, ভিটামিন কে ১৬.৪ মাইক্রোগ্রাম, সোডিয়াম ২ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১৪৭ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৬ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.২৮ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ১৩ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ২৪ মিলিগ্রাম, জিংক ০.২০ মিলিগ্রাম ছাড়াও আরও অনেক উপকারী পুষ্টি উপাদান।

এসব উপাদান আপনার শরীরকে নানা রোগ থেকে যেমন সামলে রাখছে তেমনি রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করছে। আসুন জেনে নেয়া যাক চিরচেনা শসার অসাধারণ পুষ্টিগুণ সম্পর্কে।

বিষাক্ত টক্সিন দূর –

শসা আমাদের দেহের বর্জ্য ও বিষাক্ত পদার্থ অপসারণে দারুণ কাজ করে। নিয়মিত শসা খেলে কিডনিতে সৃষ্ট পাথর গলে যেতেও সাহায্য করে।

ভিটামিনের চাহিদা পূরণ –

প্রতিদিন আমাদের দেহে যেসব ভিটামিনের দরকার হয়, তার বেশির ভাগই শসার মধ্যে বিদ্যমান। ভিটামিন এ, বি, সি ও কে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও শক্তি বাড়ায়।

ক্যানসার প্রতিরোধে –

শসায় সিকোইসোলারিসিরেসিনোল, ল্যারিসিরেসিনোল ও পিনোরেসিনোল নামে তিনটি আয়ুর্বেদিক উপাদান আছে। জরায়ু, স্তন ও মূত্রগ্রন্থিসহ বিভিন্ন স্থানে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে এই তিন উপাদানের জোরালো সম্পর্ক রয়েছে।

হজম ও ওজনহ্রাসে সহায়ক –

শসায় উচ্চমাত্রায় পানি ও নিম্নমাত্রার ক্যালরিযুক্ত উপাদান রয়েছে। ফলে যারা দেহের ওজন কমাতে চান, তাদের জন্য শসা আদর্শ টনিক হিসেবে কাজ করে। কাঁচা শসা চিবিয়ে খেলে তা হজমে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। নিয়মিত শসা খেলে দীর্ঘমেয়াদি কোষ্ঠ-কাঠিন্য দূর হয়।

পানিশূন্যতা দূর –

পানির তৃষ্ণা মেটাতে শসা খুবই কার্যকরী। একটি শসা প্রায় ৯০ শতাংশ পানি ধারণ করায় খুব দ্রুত আপনাকে সতেজ করে তুলতে পারে। দেহের দুর্বলতা কাটিয়ে করতে পারে প্রাণবন্ত।

গেঁটেবাত থেকে মুক্তি –

শসায় প্রচুর পরিমাণে সিলিকা আছে। গাজরের রসের সঙ্গে শসার রস মিশিয়ে খেলে দেহের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নেমে আসে। এতে গেঁটেবাতের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ –

শসার আঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময় করে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ –

শসার পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

মাথাব্যথা দূর –

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকের মাথাব্যথা করার অভ্যাস আছে। শরীর অবসাদ ভাব আসে। শসায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ও সুগার আছে। তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে কয়েক স্লাইস শসা খেয়ে নিলে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর এ সমস্যা থাকে না।

চুল ও নখের সুস্থতা –

শসায় থাকা খনিজ সিলিকা আমাদের চুল ও নখকে সতেজ ও শক্তিশালী করে তোলে। এ ছাড়া শসার সালফার ও সিলিকা চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

পেটের চর্বি কমাতে যা করতে পারেন !

পেটের চর্বি দেখতে যেমন দৃষ্টিকটু তেমনি চলাফেরায়ও নানা সমস্যা। অথচ খাবার-দাবারের প্রতি একটু মনোযোগী হলে এসব সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়। সে জন্য অবশ্যই অস্বাস্থ্যকর খাবার বাদ দিতে হবে, খেতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার। সঙ্গে কিছু ব্যায়াম করলে পেট থেকে চর্বি সহজেই ঝেড়ে ফেলা যায়।

বেশি বেশি পানি পান : আমাদের শরীরের ৭০ ভাগই পানি। আমাদের শরীরের পরিপাকের কাজের বেশির ভাগই পানির উপস্থিতিতে হয়ে থাকে। সুতরাং শরীরে যখন যথেষ্ট পরিমাণ পানি থাকে তখন পরিপাকের কাজটাও সহজেই হয়।
লবণ পরিহার : লবণাক্ত খাবার পরিহার করা উচিত। সেই সঙ্গে সংরক্ষিত খাবারও। কেননা সংরক্ষিত খাবারে লবণের পরিমাণ বেশি থাকে। শরীরের জন্য লবণ আসলে ক্ষতিকর, কেননা এটি পানি ধারণ করে রাখে। এটার কারণেই অনেক সময় শুষ্ক দেখায়।

ভাজাপোড়া খাবার পরিহার : প্রথমে ফ্রিজে যেসব অস্বাস্থ্যকর খাবার জমা আছে সেগুলো ফেলে দিতে হবে। এসব অস্বাস্থ্যকর খাবারের স্থলে তাজা ফল, শাকসবজি এবং শস্যজাতীয় খাবার রাখতে হবে। অতিরিক্ত সিদ্ধ খাবার খাওয়া থেকেও দূরে থাকতে হবে, কেননা এসব খাদ্যে খাদ্যমান নষ্ট হয়ে যায়।

কাঁচা রসুন সেবন : প্রতিদিন সকালে ২/৩ টুকরা কাঁচা রসুন এবং এক গ্লাস লেবুর শরবত খাওয়ার অভ্যাস করলে দারুণ উপকার পাওয়া যাবে। এটা একদিকে যেমন ওজন কমার গতি ত্বরান্বিত করে তেমনি রক্ত সঞ্চালনের গতি বাড়াতে সাহায্য করে।

সাদা চালের ভাত থেকে দূরে থাকা : সাদা চালের ভাত খাওয়া পরিহার করতে হবে। খেতে হবে গমের খাবার।

বেশি করে ফল খাওয়া : প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় এক বাটি করে ফল খেতে হবে। ফল শরীরের ভিটামিনের অভাব পূরণ করবে, সেই সঙ্গে খনিজের অভাবও।

শিম খাওয়া : শরীর থেকে চর্বি ঝেড়ে ফেলতে শিমজাতীয় খাবার বেশি খেতে হবে। নিয়মিত শিমজাতীয় খাবার খেলে মাংসপেশির যেমন উপকার হয় তেমনি হজমশক্তি বাড়ে। খেতে হবে শসাজাতীয় খাবারও। কেননা শসা যেমন সতেজ রাখতে সহায়তা করে তেমনি এটি কম ক্যালরি সমৃদ্ধ খাবার। শসায় সাধারণত ৯৬ ভাগ পানি থাকে, যা খাবারটিতে ঠাণ্ডা রাখতে সহায়তা করে।

যে খাবার দ্বিতীয়বার গরম করতে নেই

মুরগির মাংস : এটি উচ্চমাত্রার প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার। দিনে দুই-তিনবার গরম করলেই এটা হজমে সমস্যা করে। ফ্রিজে রাখলে সালাদ বা স্যান্ডউইচের সঙ্গে খেয়ে নেওয়া উচিত। বারবার গরম করা উচিত নয়।

পালং শাক : আয়রন ও নাইট্রেটে পূর্ণ এই স্বাস্থ্যকর খাবার দ্বিতীয়বার গরম করলেই ঝামেলা। এতে পালংয়ের নাইট্রেট ক্ষতিকর নাইট্রাইটে পরিণত হয়। ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে নাইট্রাইট।

ডিম : পুষ্টিতে ভরপুর এই খাবার বারবার গরম হতে পছন্দ করে না। উচ্চ তাপমাত্রায় একে গরম করা হলে খাদ্য উপাদান বিষাক্ত হয়ে ওঠে এবং হজম হতে চায় না।

মাশরুম : এতে নানা ধরনের প্রোটিনের জটিল মিশ্রণ থাকে। একবার রান্না করে একবারেই খেয়ে ফেলা উচিত। বারবার গরম করলে এর প্রোটিনের গঠন নষ্ট হয়ে যায়।

ভাত : আমাদের প্রধান খাবার সব সময়ই গরম করে খাওয়া হয়। অথচ ভাত বারবার গরম করতে নেই। ভাতে থাকা ব্যাকটেরিয়া গরমের কারণে আরো বেশি ক্ষতিকর হয়ে ওঠে।

শালগম : স্যুপ বা তরকারিতে জনপ্রিয় একটি আইটেম। শালগমের নাইট্রেট দ্বিতীয়বার গরম করলেই বিষাক্ত নাইট্রাইট উৎপন্ন করে।

তেল : আমরা সাধারণত সয়াবিন, অলিভ বা সরিষার তেল ব্যবহার করি। সব ধরনের তেলের নির্দিষ্ট স্মোক পয়েন্ট রয়েছে। এর বেশি তাপমাত্রায় গরম করা হলেই তা ক্ষতিকর হয়ে ওঠে।

আলু : নানা ধরনের পুষ্টি উপাদান রয়েছে আলুতে। কিন্তু স্বাভাবিক তাপমাত্রায় একে দীর্ঘ সময় রেখে দিলে তা বিষাক্ত হয়ে উঠতে পারে। একই ঘটনা ঘটে যখন বারবার গরম করা হয়।