প্রতিদিন ১টি কাঁচা মরিচের ১৩টি স্বাস্থ্য উপকারিতা

Health-benefits-of-Chili

যাদের ভাতের সাথে একটি কাঁচা মরিচ না খেলে চলেই না তাদের জন্য সুখবর হচ্ছে কাঁচা মরিচ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। মরিচকে ঝাল বানায় এর বিশেষ উপাদান ক্যাপসাইকিন। কাঁচা মরিচ সাধারণত কাঁচা, রান্না কিংবা বিভিন্ন ভাজিতে দিয়ে খাওয়া হয়। এতে আছে ভিটামিন এ, সি, বি-৬, আয়রন, পটাশিয়াম এবং খুবই সামান্য পরিমাণে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট।

ঝাল স্বাদের সব্জিগুলোতে থাকে বিটা ক্যারোটিন ও আলফা ক্যারোটিন, বিটা ক্রিপ্টোক্সানথিন ও লুটেইন জিয়াক্সানথিন ইত্যাদি উপাদান। এই উপাদান গুলো মুখে লালা আনে ফলে খেতে মজা লাগে। এছাড়াও এগুলো ত্বক ও স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। দেখে নিন কাঁচা মরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো।

কাঁচা মরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতা:

• গরম কালে কাঁচা মরিচ খেলে ঘামের মাধ্যমে শরীর ঠান্ডা থাকে।

• প্রতিদিন একটি করে কাঁচা মরিচ খেলে রক্ত জমাট বাধার ঝুঁকি কমে যায়।

• নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে হৃদপিণ্ডের বিভিন্ন সমস্যা কমে যায়।

• কাঁচা মরিচ মেটাবলিসম বাড়িয়ে ক্যালোরি পোড়াতে সহায়তা করে।

• কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিটা ক্যারোটিন আছে যা কার্ডোভাস্ক্যুলার সিস্টেম কে কর্মক্ষম রাখে।

• নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

• কাঁচা মরিচ রক্তের কোলেস্টেরল কমায়।

• কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন এ যা হাড়, দাঁত ও মিউকাস মেমব্রেনকে ভালো রাখতে সহায়তা করে।

• কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে যা মাড়ি ও চুলের সুরক্ষা করে।

• নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে নার্ভের বিভিন্ন সমস্যা কমে।

• প্রতিদিন খাবার তালিকায় অন্তত একটি করে কাঁচা মরিচ রাখলে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না।

• কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন সি। তাই যে কোনো ধরণের কাটা-ছেড়া কিংবা ঘা শুকানোর জন্য কাঁচা মরিচ খুবই উপকারী।

• কাঁচা মরিচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি শরীরকে জ্বর, সর্দি, কাশি ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে।

শসার অসাধারণ পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জেনে রাখুন

সারা বছর পাওয়া গেলেও বাজারে এখন মিলছে স্বাদে ভরা তরতাজা শসা। লবণ মরিচের গুঁড়া দিয়ে খাওয়া বা সালাদে শসার তুলনা হয় না। অতিথি আপ্যায়নে বা নিজেদের আয়েসি খাবার আয়োজনে শসার সালাদ থাকা চাই-ই। খাবারের রুচি বাড়ানো আর খাবারের অতিরিক্ত তেলচর্বির ধাক্কা সামলাতে শসার তুলনা হয় না। শসার এতোটুকু উপকারের কথা আমরা সবাই মোটামুটি জানি।

কিন্তু প্রতি ১০০ গ্রাম শসাতে পাবেন ১৫ কিলো ক্যালরি, কার্বোহাইড্রেটস ৩.৬৩ গ্রাম, প্রোটিন ০.৬৫ গ্রাম, খাদআঁশ ০.৫ গ্রাম, ফোলেট ৭ মাইক্রোগ্রাম, নিয়াসিন ০.০৯৮ মিলিগ্রাম, থায়ামিন ০.০২৭ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ ১০৫ আইইউ, ভিটামিন সি ২.৮ মিলিগ্রাম,

ভিটামিন ই ০.০৩ মিলিগ্রাম, ভিটামিন কে ১৬.৪ মাইক্রোগ্রাম, সোডিয়াম ২ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১৪৭ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৬ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.২৮ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ১৩ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ২৪ মিলিগ্রাম, জিংক ০.২০ মিলিগ্রাম ছাড়াও আরও অনেক উপকারী পুষ্টি উপাদান।

এসব উপাদান আপনার শরীরকে নানা রোগ থেকে যেমন সামলে রাখছে তেমনি রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করছে। আসুন জেনে নেয়া যাক চিরচেনা শসার অসাধারণ পুষ্টিগুণ সম্পর্কে।

বিষাক্ত টক্সিন দূর –

শসা আমাদের দেহের বর্জ্য ও বিষাক্ত পদার্থ অপসারণে দারুণ কাজ করে। নিয়মিত শসা খেলে কিডনিতে সৃষ্ট পাথর গলে যেতেও সাহায্য করে।

ভিটামিনের চাহিদা পূরণ –

প্রতিদিন আমাদের দেহে যেসব ভিটামিনের দরকার হয়, তার বেশির ভাগই শসার মধ্যে বিদ্যমান। ভিটামিন এ, বি, সি ও কে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও শক্তি বাড়ায়।

ক্যানসার প্রতিরোধে –

শসায় সিকোইসোলারিসিরেসিনোল, ল্যারিসিরেসিনোল ও পিনোরেসিনোল নামে তিনটি আয়ুর্বেদিক উপাদান আছে। জরায়ু, স্তন ও মূত্রগ্রন্থিসহ বিভিন্ন স্থানে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে এই তিন উপাদানের জোরালো সম্পর্ক রয়েছে।

হজম ও ওজনহ্রাসে সহায়ক –

শসায় উচ্চমাত্রায় পানি ও নিম্নমাত্রার ক্যালরিযুক্ত উপাদান রয়েছে। ফলে যারা দেহের ওজন কমাতে চান, তাদের জন্য শসা আদর্শ টনিক হিসেবে কাজ করে। কাঁচা শসা চিবিয়ে খেলে তা হজমে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। নিয়মিত শসা খেলে দীর্ঘমেয়াদি কোষ্ঠ-কাঠিন্য দূর হয়।

পানিশূন্যতা দূর –

পানির তৃষ্ণা মেটাতে শসা খুবই কার্যকরী। একটি শসা প্রায় ৯০ শতাংশ পানি ধারণ করায় খুব দ্রুত আপনাকে সতেজ করে তুলতে পারে। দেহের দুর্বলতা কাটিয়ে করতে পারে প্রাণবন্ত।

গেঁটেবাত থেকে মুক্তি –

শসায় প্রচুর পরিমাণে সিলিকা আছে। গাজরের রসের সঙ্গে শসার রস মিশিয়ে খেলে দেহের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নেমে আসে। এতে গেঁটেবাতের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ –

শসার আঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময় করে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ –

শসার পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

মাথাব্যথা দূর –

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকের মাথাব্যথা করার অভ্যাস আছে। শরীর অবসাদ ভাব আসে। শসায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ও সুগার আছে। তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে কয়েক স্লাইস শসা খেয়ে নিলে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর এ সমস্যা থাকে না।

চুল ও নখের সুস্থতা –

শসায় থাকা খনিজ সিলিকা আমাদের চুল ও নখকে সতেজ ও শক্তিশালী করে তোলে। এ ছাড়া শসার সালফার ও সিলিকা চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

পেটের চর্বি কমাতে যা করতে পারেন !

পেটের চর্বি দেখতে যেমন দৃষ্টিকটু তেমনি চলাফেরায়ও নানা সমস্যা। অথচ খাবার-দাবারের প্রতি একটু মনোযোগী হলে এসব সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়। সে জন্য অবশ্যই অস্বাস্থ্যকর খাবার বাদ দিতে হবে, খেতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার। সঙ্গে কিছু ব্যায়াম করলে পেট থেকে চর্বি সহজেই ঝেড়ে ফেলা যায়।

বেশি বেশি পানি পান : আমাদের শরীরের ৭০ ভাগই পানি। আমাদের শরীরের পরিপাকের কাজের বেশির ভাগই পানির উপস্থিতিতে হয়ে থাকে। সুতরাং শরীরে যখন যথেষ্ট পরিমাণ পানি থাকে তখন পরিপাকের কাজটাও সহজেই হয়।
লবণ পরিহার : লবণাক্ত খাবার পরিহার করা উচিত। সেই সঙ্গে সংরক্ষিত খাবারও। কেননা সংরক্ষিত খাবারে লবণের পরিমাণ বেশি থাকে। শরীরের জন্য লবণ আসলে ক্ষতিকর, কেননা এটি পানি ধারণ করে রাখে। এটার কারণেই অনেক সময় শুষ্ক দেখায়।

ভাজাপোড়া খাবার পরিহার : প্রথমে ফ্রিজে যেসব অস্বাস্থ্যকর খাবার জমা আছে সেগুলো ফেলে দিতে হবে। এসব অস্বাস্থ্যকর খাবারের স্থলে তাজা ফল, শাকসবজি এবং শস্যজাতীয় খাবার রাখতে হবে। অতিরিক্ত সিদ্ধ খাবার খাওয়া থেকেও দূরে থাকতে হবে, কেননা এসব খাদ্যে খাদ্যমান নষ্ট হয়ে যায়।

কাঁচা রসুন সেবন : প্রতিদিন সকালে ২/৩ টুকরা কাঁচা রসুন এবং এক গ্লাস লেবুর শরবত খাওয়ার অভ্যাস করলে দারুণ উপকার পাওয়া যাবে। এটা একদিকে যেমন ওজন কমার গতি ত্বরান্বিত করে তেমনি রক্ত সঞ্চালনের গতি বাড়াতে সাহায্য করে।

সাদা চালের ভাত থেকে দূরে থাকা : সাদা চালের ভাত খাওয়া পরিহার করতে হবে। খেতে হবে গমের খাবার।

বেশি করে ফল খাওয়া : প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় এক বাটি করে ফল খেতে হবে। ফল শরীরের ভিটামিনের অভাব পূরণ করবে, সেই সঙ্গে খনিজের অভাবও।

শিম খাওয়া : শরীর থেকে চর্বি ঝেড়ে ফেলতে শিমজাতীয় খাবার বেশি খেতে হবে। নিয়মিত শিমজাতীয় খাবার খেলে মাংসপেশির যেমন উপকার হয় তেমনি হজমশক্তি বাড়ে। খেতে হবে শসাজাতীয় খাবারও। কেননা শসা যেমন সতেজ রাখতে সহায়তা করে তেমনি এটি কম ক্যালরি সমৃদ্ধ খাবার। শসায় সাধারণত ৯৬ ভাগ পানি থাকে, যা খাবারটিতে ঠাণ্ডা রাখতে সহায়তা করে।

যে খাবার দ্বিতীয়বার গরম করতে নেই

মুরগির মাংস : এটি উচ্চমাত্রার প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার। দিনে দুই-তিনবার গরম করলেই এটা হজমে সমস্যা করে। ফ্রিজে রাখলে সালাদ বা স্যান্ডউইচের সঙ্গে খেয়ে নেওয়া উচিত। বারবার গরম করা উচিত নয়।

পালং শাক : আয়রন ও নাইট্রেটে পূর্ণ এই স্বাস্থ্যকর খাবার দ্বিতীয়বার গরম করলেই ঝামেলা। এতে পালংয়ের নাইট্রেট ক্ষতিকর নাইট্রাইটে পরিণত হয়। ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে নাইট্রাইট।

ডিম : পুষ্টিতে ভরপুর এই খাবার বারবার গরম হতে পছন্দ করে না। উচ্চ তাপমাত্রায় একে গরম করা হলে খাদ্য উপাদান বিষাক্ত হয়ে ওঠে এবং হজম হতে চায় না।

মাশরুম : এতে নানা ধরনের প্রোটিনের জটিল মিশ্রণ থাকে। একবার রান্না করে একবারেই খেয়ে ফেলা উচিত। বারবার গরম করলে এর প্রোটিনের গঠন নষ্ট হয়ে যায়।

ভাত : আমাদের প্রধান খাবার সব সময়ই গরম করে খাওয়া হয়। অথচ ভাত বারবার গরম করতে নেই। ভাতে থাকা ব্যাকটেরিয়া গরমের কারণে আরো বেশি ক্ষতিকর হয়ে ওঠে।

শালগম : স্যুপ বা তরকারিতে জনপ্রিয় একটি আইটেম। শালগমের নাইট্রেট দ্বিতীয়বার গরম করলেই বিষাক্ত নাইট্রাইট উৎপন্ন করে।

তেল : আমরা সাধারণত সয়াবিন, অলিভ বা সরিষার তেল ব্যবহার করি। সব ধরনের তেলের নির্দিষ্ট স্মোক পয়েন্ট রয়েছে। এর বেশি তাপমাত্রায় গরম করা হলেই তা ক্ষতিকর হয়ে ওঠে।

আলু : নানা ধরনের পুষ্টি উপাদান রয়েছে আলুতে। কিন্তু স্বাভাবিক তাপমাত্রায় একে দীর্ঘ সময় রেখে দিলে তা বিষাক্ত হয়ে উঠতে পারে। একই ঘটনা ঘটে যখন বারবার গরম করা হয়।

কোন সবজি কী কাজে লাগে !!

আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শাকসবজি অনেকখানি অংশ জুড়ে রয়েছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আমরা সবজির গুণগত মান না জেনেই ভিটামিন ও খনিজ লবণ পাওয়ার জন্য খেয়ে থাকি। অথচ কোনো কোনো সবজি স্বাস্থ্যের ওপর ভালো-খারাপ দুটিরই প্রভাব রয়েছে। যদি জানা থাকে কোন কোন সবজি কী কাজে লাগে তাহলে খুবই ভালো হয়। যেমন—
প্রত্যেহ তেতো সবজি—করলা ও তেতো পাটশাক খাবারে রুচি বাড়ায় ও মেদ বৃদ্ধির আশঙ্কা কমায়। অনেক সময় নিমগাছের কচি পাতা ভেজেও খাওয়া হয়। এতে ত্বকের চুলকানি ও কৃমি রোধে উপকার পাওয়া যায়।
খেতে বসে প্রথম ডিশ হিসেবে যদি তেতো খাওয়া হয়, তাহলে সেটা মুখে লালা ক্ষরণ করে শ্বেতসারকে ভাঙতে সাহায্য করে। এতে হজমের সুবিধা হয় ও লিভারও ভালো থাকে।
আলু ও টমেটোতে প্যান্টোথেনিক এসিড আছে বলে হাতের তালু এবং পায়ের তালু জ্বালা করার উপসর্গ থেকে রেহাই পাওয়া যায়। আবার ধনেপাতা ও পুদিনাপাতার চাটনি এক মাস খেলেও উপকার পাওয়া যাবে। গাঢ় সবুজ ও হলুদ শাক-সবজি রাতকানা রোগ, হাড় ও দাঁত গঠনে এবং স্নায়ুবিক অসুস্থতায় বেশ উপকারী। পালংশাক, বাঁধাকপি, ফুলকপি রক্তে প্রোথ্রোথিন তৈরি হতে সাহায্য করে।
শিম, মটরশুঁটি, বরবটি, পালংশাক, ফুলকপি ইত্যাদিতে পিউরিন বেশি থাকে বলে গেঁটেবাত হলে অবশ্যই বর্জন করা উচিত। আবার ওল, বেগুন খেলেও আমবাতের প্রকোপ বাড়ে।
অজীর্ণ ও ডায়রিয়া হলে সবজি বর্জন করা উচিত। বিশেষ করে আঁশযুক্ত সবজি। কারণ, সেলুলোজ দুষ্পাচ্য বলে হজমের ব্যাঘাত ঘটায়।
বাঁধাকপি, মুলা, শিম, শাক, মটরশুঁটি পরিপাকে অসুবিধা হয় বলে গ্যাসট্রাইটিস বেড়ে যায়। আলসারের রোগীদের খাবারে কাঁচা সবজি, পেঁয়াজ, বাঁধাকপি, ডাঁটা, কাঁচামরিচ, কাঁচা শসা, বরবটি বাদ দিলে ভালো হয়।
কিডনিতে পাথর হলে অক্সালিক এসিডযুক্ত সবজি যেমন—পালংশাক, পুইশাক, টমেটো, বিট, শজনেপাতা, কচু, কচুর শাক, কলার মোচা, মিষ্টি আলু বাদ দিতে হবে।
পাঁচ-ছয় মাসের শিশুদের গাঢ় সবুজ ও হলুদ সবজি সিদ্ধ করে চালুনি দিয়ে চেলে নরম করে ক্বাথ বের করে খাওয়ানো যেতে পারে।
শিশুর জন্মের পর মায়েদের গাজর, বিট, টমেটো, লেটুসপাতা, বাঁধাকপি, মুলা খাওয়া উচিত। এতে মুখে যে কালো ছোপ পড়ে তা দূর হয়ে যায়। পাকা করলার বীজ শুকিয়ে গুঁড়ো করে সাত-আট চা-চামচ পানি মিশিয়ে ছেঁকে খেতে হবে। কিছুদিন খেলে ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের অভাব হবে না।
গলাব্যথা ও সর্দি-কাশির জন্য তুলসীপাতার রস খুবই উপকারী। রক্তস্বল্পতা দূর করার জন্য কচুর শাক, লালশাক, পালংশাক, বিট, লেটুসপাতা খুবই উপকারী।
এ ছাড়া ধনেপাতা ও পুদিনাপাতার ভর্তা খাওয়া যায়। গ্রীষ্মকালের সবজি ঝিঙে, চিচিঙ্গা, ধুন্দল ও চালকুমড়ায় পানির পরিমাণ বেশি থাকে বলে শরীরকে শীতল ও সুস্থ রাখে। কাঁচা পেঁপে পরিপাক শক্তির সহায়ক।
সুতরাং সবজি শুধু স্বাদ ও পুষ্টির জন্য নয়। এর বিষয়ে ভালোভাবে জেনে শরীরের প্রয়োজন-অপ্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তবেই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এর স্থান দিতে হবে।

প্রতিদিন ১ চামচ মধু খাওয়ার ১২টি স্বাস্থ্য উপকারিতা

মধু তার অসাধারণ ঔষধি গুনের কারনে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মধুর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, আয়োডিন, জিংক ও কপার সহ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা আমাদের শুধুমাত্র দেহের বাহ্যিক দিকের জন্যই নয়, দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সুরক্ষায় কাজ করে।

সর্বগুন সম্পন্ন এই মধুর গুনের কথা বলে শেষ করা যাবে না। স্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসা, সৌন্দর্য চর্চা- কোথায় নেই মধুর ব্যবহার? আসুন দেখে নেয়া যাক মাত্র এক চামচ মধু কি কি অসাধারণ উপকারে লাগতে পারে আপনার।

১) মধু হিউম্যাকটেন্ট যৌগে সমৃদ্ধ। এই যৌগটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার কাজ করে এবং ত্বকের উপরিভাগের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখে। হিউম্যাকটেন্ট যৌগটি ত্বককে নমনীয় করতেও সাহায্য করে। ফলে ত্বক থাকে দীর্ঘদিন বার্ধক্যের ছাপ মুক্ত।

প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু রঙ চা কিংবা দুধের সাথে খেতে পারেন। সেই সাথে আপনার রোজকার ফেস প্যাকেও ব্যবহার করতে পারেন মাত্র এক চামচ মধু। মধু ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষ দূর করে ও মুখের ত্বকে ভাঁজ পড়া রোধ করে।

২) মধু শরীরের ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। মধুতে মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গায় ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে। কোথাও পুরে, কেটে গেলে ক্ষত স্থানে মধুর একটি পাতলা প্রলেপ দিয়ে দিন। ব্যথা কমবে ও দ্রুত নিরাময় হবে। মধুতে আছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা ক্ষত পরিষ্কার হতে সাহায্য করে ও ব্যথা, ঘ্রাণ, পূঁজ ইত্যাদি হ্রাস করে দ্রুত ক্ষত নিরাময় করে।

৩) মধুতে রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান যা ছত্রাক ও অন্যান্য কারনে ক্ষতিগ্রস্থ ত্বককে ঠিক করতে সাহায্য করে ও নতুন ত্বক গঠনে ভূমিকা রাখে। চর্মরোগ হলে নিয়মিত আক্রান্ত স্থানে মধু লাগান। এক চামচ মধুর সাথে অল্প পানি মিশিয়ে ব্যবহার করুন।

৪) মধুতে আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহ যা সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির বিরুদ্ধে কাজ করে শরীরের চামড়াকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। অনেকটা প্রাকৃতিক সানস্ক্রিনের কাজ করে মধু। রোদে পোড়া ত্বককে স্বাভাবিক করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এক চামচ মধুর সাথে পানি মিশিয়ে প্রতিদিন মুখে ফেস প্যাকের মতন লাগান। রোদে পোড়া জনিত কালো দাগ দূর হয়ে চেহারা হবে ঝলমলে।

৫) মধুতে বিদ্যমান গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং শর্করা শরীরে শক্তি সবরাহের কাজ করে। প্রতিদিন সকালে ১ চামচ মধু সারাদিনের জন্য দেহের পেশীর ক্লান্তি দূর করতে সহায়তা করে ও আপনাকে রাখে এনার্জিতে ভরপুর।

৬) প্রতিদিন ১ গ্লাস পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে মধুতে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম রক্তে প্রবেশ করে। এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের ভারসাম্য বজায় রাখে। এভাবে মধু রক্তস্বল্পতা রোগকে প্রতিরোধ করে।

৭) মধু ঠোঁটের ওপরের শুষ্ক ত্বক ও কালচে ভাব দূর করে ঠোঁটকে নরম ও গোলাপি করে তুলতে সহায়তা করে। রাতে ঘুমের পূর্বে নিয়মিত ঠোঁটে মধু লাগান। ঠোঁট হয়ে উঠবে নজর কাড়া সুন্দর।

৮) মধুর ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, সি কপার , আয়োডিন ও জিংক দেহে এইচডিএল (ভালো) কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। ফলে মধু কোলেস্টেরল সংক্রান্ত রোগ থকে দেহকে মুক্ত রাখে। দিনে অন্তত এক চামচ মধু খেয়ে নিন,যেভাবে আপনার ভালো লাগে।

৯) সাইনাসের কিংবা শ্বাসপ্রশ্বাসের যে কোন সমস্যা থেকে মধুর প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহ দেহকে মুক্ত রাখে। চা কিংবা উষ্ণ পানির সাথে মধু মিশিয়ে প্রতিদিন পান করলে উপকার পাওয়া যাবে।

১০) প্রতিদিন মধু খাওয়া হলে দেহের ইমিউন সিস্টেমের উন্নতি হয়। ফলে আমাদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। সহজে অসুখ বিসুখ ও জীবাণুর সংক্রমণ হয় না।

১১) মধু ওজন কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে আমাদের হজম শক্তি বাড়ে ও ফলে খাবারের ক্যালোরি দ্রুত ক্ষয় হয়। এতে ওজন কমে যায়। চিনির বদলে মধুর ব্যবহার মুটিয়ে যাওয়ার হাত থেকেও রক্ষা করে।

১২) যাদের খুসখুসে কাশির সমস্যা আছে, তারা প্রতিদিন এক চামচ আদার রসের সাথে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। দ্রুত আরোগ্য হবে।

যে কারণে কাঁচা দুধ পান স্বাস্থ্যের জন্যে হুমকি

পাস্তুরিত দুধ নাকি কাঁচা দুধ, কোনটি খেয়ে থাকেন? নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, কাঁচা দুধ খাদ্যঘটিত অসুস্থতার সম্ভাবনা শতগুণ বাড়িয়ে দেয়। জন হপকিন্স সেন্টার ফর আ লিভাবল ফিউচার এর গবেষক বেঞ্জামিন ডেভিস তার গবেষণায় বলেন, অন্যান্য খাবারের সঙ্গে মিশে দুধ সমস্যা করতে পারে। তবে পাস্তুরিত দুধের চেয়ে কাঁচা দুধে এমন ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা শতগুণ বেশি থাকে। এতে ডায়রিয়া, বমি, জ্বর এবং মাঝে মধ্যে কিডনি অকার্যকর হওয়ার মতো মারাত্মক সমস্যাও ঘটে যেতে পারে। ‘এইডস প্যাশেন্ট কেয়ার অ্যান্ড এসটিডিএস’ জার্নালে প্রকাশিত এ গবেষণা প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, সম্প্রতি কাঁচা দুধ সবার মাঝে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কারণ অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, কাঁচা দুধে অনেক বেশি প্রাকৃতিক অ্যান্টিবডিস, প্রোটিন এবং ব্যাকটেরিয়া থাকে। তাই এ দুধ বেশি স্বাস্থ্যকর এবং সুস্বাদু। অনেকের দেহে দুধের ল্যাকটোজ সহ্য হয় না এবং অ্যালার্জি হয়। কাঁচা দুধে তেমন সমস্যাও হয় না। কিন্তু নতুন এই গবেষণায় বলা হয়েছে, কাঁচা দুধে সাধারণত সালমোনিলা, ক্যামফাইলোব্যাকটার এবং লিস্টেরিয়া এর মতো সংক্রমণ জীবাণু থাকে। এই দুধে এমন এক ব্যাকটেরিয়া থাকে যার নাম এসচেরিসিয়া কোলি টাইপ ০১৫৭:এইচ৭। এটি খাদ্য বিষক্রিয়া ঘটায়। বিশেষ করে শিশু এবং গর্ভবতীর দেহে এই ব্যাকটেরিয়া সহজে বিষক্রিয়া ঘটায়।

যে খাবারগুলো প্রত্যেক পুরুষের নিয়মিত খাওয়া উচিত

অনেক পুরুষই কাজের কারণে এবং জীবনের প্রয়োজনে ঘর থেকে বাইরে থাকেন বেশীরভাগ সময়। সে সময় যদি বুঝে শুনে না খান তবে এতে শরীরের ক্ষতি হয় অনেক বেশি। বাইরে খাবারের কারণে সে সমস্যায় ভুগতে বেশি দেখা যায় তা হলো গ্যাস্ট্রিক, আলসার এবং পাকস্থলীর ক্যান্সার।

এই সকল ঝামেলা এড়াতে অবশ্যই বুঝে শুনে খাবার খাওয়া উচিৎ। সুস্থ থাকতে হলে কিছুটা ঝামেলা করে হলেও তৈরি করা উচিৎ ভালো খাদ্যাভ্যাসের। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক এমনই ৫ টি খাবার যা নিয়মিত খাওয়া উচিৎ সকল পুরুষের।

টমেটো:

টমেটোকে সুপারফুড বলা হয়ে থাকে। টমেটোর অনেক পুস্টিগুনের জন্যই করা হয়েছে এই নামকরণ। টমেটোতে রয়েছে ‘লাইকোপিন’। লাইকোপিন কলোরেক্টাল ক্যান্সার, পাকস্থলীর ক্যান্সার, হৃদপিণ্ডের সমস্যা এবং দেহের কলেস্টোরল কমাতে বেশ সহায়ক একটি সবজি। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অবশ্যই টমেটো রাখা উচিৎ।

গোটা শস্য:

লাল চাল, ওটস এবং গমের আটা জাতীয় গোটা শস্য স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী খাদ্য। এই সকল গোটা শস্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিলারেল, ফোলাইট, বায়োটিন এবং ফাইবার। এই সকল শস্যের ভিটামিন বি বিষণ্ণতা দূর করতে এবং বায়োটিন চুল পরা রোধে বেশ কার্যকর। এছাড়াও গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে ফোলাইট পুরুষের যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

রসুন:

কাঁচা রসুন খাওয়ার কথা অনেকেই ভাবতে পারেন না। বিশেষ করে ছেলেরা তো এই জিনিসটি একেবারেই অপছন্দ করেন। কিন্তু প্রতিদিন কাঁচা রসুন খেলে পুরুষেরা হৃদপিণ্ডের সমস্যা থেকে রেহাই পেতে পারেন। কারণ কাঁচা রসুন দেহের কলেস্টোরলের মাত্রা কমায়।

ব্রকলি:

ব্রকলিও অনেকের কাছে বেশ অপছন্দের একটি খাবার। কিন্তু ব্রকলি এবং ব্রকলি জাতীয় খাবার যেমন, পাতাকপি, বাঁধাকপি, অঙ্কুরিত সিমের বীচি ইত্যাদিতে রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধকারী উপাদান ‘সালফোরাফেইন’। এই উপাদানটি পুরুষদের দেহে মুত্রথলির ক্যান্সার, পাকস্থলীর ক্যান্সার এবং কলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে।

ডিম:

পুরুষেরা বেশীরভাগ সময় চুল পরে যাওয়ার সমস্যায় ভুগে থাকেন। এবং পুরুষদের মাথাতেই টাকের সমস্যা বেশি দেখা যায়। ডিম এই সমস্যা থেকে রেহাই দিতে পারে। ডিমের উচ্চ মাত্রার প্রোটিন চুল পরা রোধ করে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। ডিমের কুসুম দেহে আয়রনের অভাব পূরণে সাহায্য করে।

পেটের চর্বি থেকে মুক্তির উপায়

মেদহীন পেট কার না কাম্য। অন্যদের মতো আপনারও নিশ্চয় চাই মেদহীন পেট। অথচ আপনার চাওয়াকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পেটে চর্বি জমছে। এ থেকে কিন্তু সহজেই আপনি মুক্তি পেতে পারেন। একটু সতর্ক হলেই চর্বি যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

দিন শুরু হোক লেবুর শরবতে : পেটের চর্বি দূর করার জন্য এটি দারুণ এক উপায়। এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে লেবু এবং কিছু লবণ নিতে হবে। নিয়মিত এ শরবত পান করলে পেটের চর্বি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

সাদা চালের ভাত থেকে দূরে থাকুন : পেটের চর্বি দূরে রাখতে হলে সাদা চালের ভাত থেকে দূরে থাকুন। এর পরিবর্তে আটার তৈরি খাবার খেতে হবে।

দূরে থাকতে হবে চিনি থেকে : পেটের চর্বি থেকে রেহাই পেতে হলে চিনি এবং চিনি জাতীয় খাবারের সঙ্গে শত্রুতা ছাড়া উপায় নেই। চিনি জাতীয় খাবার শরীরের বিভিন্ন অংশে চর্বি জমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে, বিশেষ করে পেট ও ঊরুতে।

প্রচুর পানি পান : প্রচুর পানি পানের বিকল্প নেই। পেটের চর্বি থেকে মুক্তি পেতে হলে পানির সঙ্গে করতে হবে বন্ধুত্ব। কেননা পানি আপনার শরীরের পরিপাক ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং শরীর থেকে ক্ষতিকর জিনিস বের করে দিতে সাহায্য করে।

কাঁচা রসুন খাওয়া : সকালে করতে হবে এই কাজটি। দুই বা তিন কোয়া কাঁচা রসুন খেতে হবে। লেবুর শরবত পান করার পরই এটি খেয়ে নিলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। এই পদ্ধতিটি আপনার শরীরের ওজন কমানোর প্রক্রিয়াটি দ্বিগুণ গতিতে করবে। সেই সঙ্গে আপনার শরীরের রক্ত সঞ্চালন হবে মসৃণ গতিতে।

মসলা সমৃদ্ধ রান্না : আপনার খাবারকে মসলা সমৃদ্ধ করে তুলুন। দারুচিনি, আদা, কাঁচা মরিচ দিয়ে রান্না করুন আপনার খাবার। কেননা এসব মসলা স্বাস্থ্যকর সব উপাদানে ভরপুর। এগুলো আপনার শরীরের রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে রাখতে সহায়তা করে।

বেশি করে ফলমূল খাওয়া : সকালের নাস্তায় অন্য খাবারের পরিমাণটা কমিয়ে সেখানে স্থান করে দিতে হবে ফলের। প্রতিদিন সকালে এক বাটি ফল খেলে পেটে চর্বির জমার হাত থেকে অনেকটা রেহাই পাওয়া যাবে।

6 Foods That Speed Up Aging & Make You Look Older.

1. Sugar.

Sugar not only creates weight gain easily, but it also creates wrinkles, sagging skin and poor health. An interesting process takes place called ‘glycation’ that literally renders your bodily tissues inflexible or simply damages them. The sugar circulating in your bloodstream attaches to protein in your body that create new molecules appropriately and precisely named ‘AGES’ or advanced glycation end products. Glycation is the caramelization of bodily tissue <-Yes.
Think of those crispy browned potatoes on the stove – the crispy part is an example of glycation. That same process is happening in your body. Most vulnerable? Collagen and elastin which keep our skin firm and youthful; once damaged this leads to wrinkles and sagging skin.

2. Trans Fats.

Trans fats exert an inflammatory effect within the body such as creating a stiffening of the arteries or constricted blood vessels that lead to less blood flow to the skin and much more, leaving skin older, stiffer, more wrinkled. Be careful to read the nutrition label for ‘hydrogenated fats’ as this is code for trans fats.
Trans fats can be found in highly processed foods such as fast food, junk food, pie crust, deep fried foods, margarine, canned frosting, Bisquick type products, non-dairy creamers and much more. Even if the label says zero trans fats, the food manufacturers’ are allowed to state zero even if they have a half gram of trans fats. One half gram of trans fats still has a mighty unhealthful impact upon our health.

3. Alcohol.

Alcohol in moderation exerts a healthy effect that results in a you that ages well. However, excess alcohol can really speed up aging in the form of premature wrinkles, loss of collagen, elasticity, redness, dehydration and puffiness. Nutrient depletion, liver inflammation and dehydration are the culprits when too much alcohol is ingested. *By the way, if you are steering clear of red wine due to the staining factor it exerts, white wine actually causes dental damage by making teeth more prone to longer-lasting stains.

4. Excess Carbohydrates.

Just like sugar that creates a caramelization effect (see ‘sugar’ above) inside and outside your body, refined carbs (healthy carbs stripped of all the good stuff) and excess healthy carbs do too. You can look at refined carbs as simply sugars in disguise. Once these carbs hit the blood stream – they behave just like sugar. Also, refined/excess carbs trigger insulin in excess and too much insulin prevents fat loss, slows or prevents lean muscle growth.
In addition, excess insulin also leaves you hungry 30 min. after eating and this becomes a vicious cycle. The main stimulus for insulin secretion is dietary carbohydrates. Stick to complex carbs such as legumes and veggies as the fiber slows down the release of sugar and this equates to less glycation and less weight.

5. Low-Fat Foods.

Everywhere you look you see the result of decades worth of bad advice that has left the majority of people fat and unknowingly aging their bodies. Remember the fat-free cookies Snackwells era? Snackwells is a small example of the much larger problem. Fat does not make you fat. In fact, fat promotes weight loss and youthfulness. The low-fat era is, unfortunately, still with us. Most people when they look at the nutrition label are more concerned with the fat grams. Low-fat eating simply deprives one of all the nutritious fats that keeps us healthy and youthful. A diet rich in essential and healthy fats plays a crucial role in how skin ages by reducing inflammation in skin, encouraging hair growth and and build strong cell membranes that reduce water loss in skin cells and much more.
Sources of healthy fats include: walnuts, salmon, flaxseed, chia seeds, avocados, almonds, cold water fish, hemp seeds, wheat germ, all nuts and seeds, dark green leafy veggies, Omega 3-fortified eggs, coconut oil

6. Salt.

Excess salt in the diet from foods such as chips, crackers, pretzels, bagels, cereals, bagels, cereals, canned foods, cheeses and even cottage cheese can retain fluid in the body creating a puffy look and paradoxically can cause the cells to shrink thus creating dehydration. This results not just in the sensation of thirst, but older, dehydrated, wrinkled skin.

Reducing or avoiding these foods is your key to a more energetic, vibrant and youthful you – inside and out.